বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় তারানাথ তান্ত্রিক
প্রেক্ষাপটঃ
১৯৪০ সালে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় তারানাথ চরিত্রটি তৈরি করেছিলেন। তবে তিনি এই চরিত্রটি সমন্বিত দুটি ছোট গল্প লিখেছিলেন এবং এই গল্প দুটির মাধ্যমে তারনাথের তান্ত্রিক জীবনের সূচনা প্রধানত প্রদর্শিত হয়। বিভূতিভূষণ তুলে ধরেন বাংলার নিজস্ব অতিলৌকিক জগৎকে। ‘পথের পাঁচালী’-র লেখকের এক অজানা চর্চার দিক উঠে আসে এই লিখন দু’টিতে। বিভূতিভূষণের প্রয়াণের পরে তাঁর পুত্র তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায় স্মৃতির গহীন থেকে তুলে আনেন তারানাথকে। তারানাথ তান্ত্রিক সমন্বিত ছয়টি গল্প নিয়ে তাঁর পুত্র তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায় তারানাথ তান্ত্রিক (১৯৮৫) এবং ‘অলাতচক্র’(২০০৩) নামে একটি উপন্যাস লেখেন। তার লিখনে রুপ পায় বাংলার সংস্কৃতির শিকড়ে থেকে যাওয়া বিশ্বাস ও প্রজ্ঞার অজানা ভুবন। তারানাথ চরিত্রটি বিপুল জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে।
এই চরিত্রকে নিয়ে লেখা সমস্ত গল্পগুলি অলৌকিক, অস্বাভাবিক, গাঢ় শিল্প, রহস্য এবং যাদু বাস্তবতার উপর ভিত্তি করে। গল্পের মধ্যে তক্তাপোষে বসে গল্প বলেন বৃদ্ধ তারানাথ। সে সময় তার মেয়ে চারি এসে মুড়িমাখা আর চা দিয়ে যায়। তার গল্পের শ্রোতা দু’জন। কলকাতার এক গলির ভিতরে পাসিং শো সিগারেটের ধোঁয়ার মধ্যে দিয়ে যেন দরজা খুলে যায় এক অন্য জগতের।





